#চটি_গল্প: #স্বামির_চাচা_যখন_পোয়াতি_করে। আমার আব্বা একজন খুচরা ব্যাবসায়ী ব্যাবসায়ী ঢাকা ইসলাম পুরের এবং স্বচ্ছল পরিবার বলা যায়।আমার মা শিক্ষিত রুচিশীল শালীন মহিলা।বাহিরে কোন কাজে গেলে বোরকা বাদে বের হয় না।বলা হয় নি আমরা ঢাকায় নিজস্ব প্ল্যাটে থাকি। চটি গল্প চাচা শ্বশুর আমি ক্লাস এইটে পড়ি।মায়ের বয়স ৩২ বছর আর বাবার বয়স প্রায় ৪০ বছর।আমাদের খুবই সুখি পরিবার। কিন্তু আচমকা ঝড় আসে আমাদের পরিবারে।আমার আব্বার ব্যাবসায়ীক পার্টনার আব্বার সমস্ত টাকা মেরে দিয়ে পালিয়ে যায়।আর সমস্ত দায় দেনার পুরো চাপ আব্বার উপর আসে। আব্বা সিদ্ধান্ত আমাদের প্ল্যাটটা বিক্রি করে দিবেন এবং আমরা আপাতত গ্রামে চলে যাবো।কিন্তু মুসকিল হলো আমাদের গ্রামে যাওয়া হয় না তাই গ্রামের বাড়িতে আমাদের ঐভাবে ঘরও নাই। banglachotikahini ২/৩ বছর পর গেলে আমরা থাকি আব্বার ছোট কাকা মানে আমার ছোট দাদা।ওনি আব্বার থেকে ৪/৫ বছরের বড়।নাম ওনার কচি। যাকে বয়সের কারনে কচি ভাই ডাকি। ওনার ঘরে ওনার পরিবারে কেউ নাই সবাই ৩/৪ বছর আগে একটা গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যায়।এখন ওনি একা। কচি ভাই আমাদের পরিবারের একজনের মতই। আমরা কখনো গ্রামে গেলে ওনার ঘরেই থাকি সবাই একস...
Posts
- Get link
- X
- Other Apps
#নাম_আমায় চুদবে? আমার বন্ধু শাহেদ তখন কলেজে ২য় বর্ষে পড়ে। তার পরিবারে তারা তিন জন অর্থাৎ মা, ছোট ভাই আর কাজের মাসি রহিমা। শাহেদর বাবা চাকুরি করে চা বাগানে। প্রতি সপ্তাহে এক দিন শহরের বাড়ীতে আসেন। কি এক জরুরী দরকারে শাহেদর মা, বাবা আর ভাই ঢাকা গেছে। যাবার সময় অনেক উপদেশ দিয়ে গেছে শাহেদ আর কাজের মাসি রহিমাকে। রহিমা কাজের মহিলা হলে কী হবে তার ফিগার দেখলে যে কোনো পুরুষেরই সোনা ফাল দিবে। রহিমা মাঝারি ধরণের লম্বা। একটু ফেটি শরীর। চেহারা শ্যামলা। সবচে’ আকর্ষনীয় তার মাংশেল পাছা। এক কথায় অসাধারণ! প্রথম দেখাতেই যে কোনো পুরুষেরই পছন্দ হবে। এই দু মাস হয় রহিমা তাদের বাড়ীতে কাজে এসেছে। আগে স্বামীর সৎসারে ছিল। কোনো সন্তান ছিল না। স্বামী হঠাৎ মারা যাওয়াতে বাড়ীর কাজে নেমেছে। রহিমার বয়স এখন ২৫ থেকে ২৮ শের মধ্যে হবে। রহিমার সুন্দর পাছা – যা হাটা সময় সব পুরুষকে পাগল করে তোলে। মাংসগুলো পাছার মধ্যে খাবলা মেরে থাকে। এটা দেখে দেখে শাহেদর মাথাটা একদম নষ্ট হয়ে গেছে। সে শুধুই ভাবছে কীভাবে রহিমা মাসিকে চুদবে। অবশেষে সুযোগ হাতে এলো। বিকালের দিকে ওরা সবাই ঢাকা চলে গেল। ওদের ট্রেনে তুলে দিয়ে বাসা...
- Get link
- X
- Other Apps
কাজের মাসীর আমার কথা মতো সব কিছু করলো। আমি যখন ক্লাশ ১২এ পড়ি তখন আমাদের বাড়িতে সারাক্ষনের কাজের জন্য যোগ দেয় সরলা মাসী। বছর দেড়েক হলো, সরলা মাসীর স্বামী তাদেরকে ছেড়ে গ্রামের অন্য আরেক মহিলাকে বিয়ে করে পালিয়ে গেছে। ৩৮ বছর বয়সী গ্রাম্য মহিলা নিজের তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে কাজে যোগ দিল, এছাড়াও ওর আরও চারটে মেয়ে আছে, তারা গ্রামেই থাকে তাদের দিদিমার কাছে, শুধু মাঝে মাঝে পুজোর সময় বা গরমের ছুটিতে আমাদের বাড়িতে আসতো সবাই মিলে কলকাতা ঘুরবে বলে। তখন আমার মা ওই গ্রামেই কাজে যেত ফলে সরলা মাসীকে মা নিজের সঙ্গে করেই নিয়ে এসেছিলো একদিন আমাকে দেখা শোনার জন্য। মাস দুয়েকের মধ্যেই সরলা মাসী ও রানু মানে সরলা মাসীর ছোট মেয়ে আমাদের পরিবারের একজন হয়ে উঠলো। সরলা মাসী রানুকে নিয়ে আমার ঘরেই ঘুমাতো। সরলা মাসীর গায়ের রঙ ছিল কালো, দেখতে খুব একটা ভালো ছিলনা, ৫’২” মতো লম্বা, দোহারা চেহারা, পাছা অবধি ঘন অল্প কোকড়ানো কালো চুল, মাইগুলো প্রথমে ছিল লম্বাটে পেঁপের মতো, প্রায় ৩৬ সাইজের আর দুধে ভরা। এতোগুলো বাচ্চার মা বলেই মাইগুলো পুরো ঝোলা ছিল যদিও আমি পরে ওগুলো ম্যাসলিন দিয়ে মালিশ করে আ...
- Get link
- X
- Other Apps
নাম_ পিসির দুই পায়ের মাঝখানে মাল ফেলে শরীর ঝরঝরে লাগছে আমি অশ্বিন. এই গল্পে আমি আমার বড়ো পিসির কথা বলবো,আমার তিন পিসি. তিন পিসি শিক্ষিত নই. বড়ো পিসির নাম পূর্ণিমা. পিসির দুই মেয়ে. একজনের বয়স ২৮ ও অন্য জন ১৯. পিসির বয়স ৪৮. পিসি দেখতে ততটা সুন্দর নয়. পিসি গায়ের রং শ্যামলা. দুধের সাইজ় ৩৪. প্রচুর পান খাই. তো আসল ঘটনাই আসি. একদিন পিসি,আমি,বড়ো পিস্তুত বোন মার্কেটে যাই শর্ট কিনতে. আকাশ ছিলো মেঘলা. শর্ট কিনে অল্প বাজ়ার করতে যাই আমরা. সেই সময় বৃষ্টি নামে. বৃষ্টি তে আমরা ভিজে যাই. আমরা ট্যাক্সী নিয়ে পিসির বাসই যাই. পিসি আমাকে একটা গামছা দিলো মোছার জন্য. এরপর পিসি শাড়ির আঁচল দিয়ে শরীর মুছলো. পিসির তলপেট, ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছিলো. তা দেখে আমার জিভে পানি চলে অসলো. পিসি আমার সামনে শাড়ি পুরো খুলে ফেলল. এরপর পিসি কলতলায় গেলো কাপড় শুকোতে দেয়ার জন্য. এবার পিসি স্নান করতে গেলো. আমার বড়ো বোনও বাইরে ছিলো. আমি জানালা দিয়ে দেখতে লাগলাম. দেখলাম পিসি চুলের গোছা খুলছে আর গান গাইছে. এরপর পিসি উঠে দাড়ালো. পিসি চারপাশ দেখলেন. আমি লুকিয়ে পড়লাম আর লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতে লাগলাম. দেখলাম পিসি ব্লাউস খুলে...